ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মকবুল আহমেদ খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সোমবার ২০ অক্টোবর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ নির্দেশ দেন।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ড. মকবুল আহমেদ খান কোনো সহযোগী বা অনুসারী সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন না। আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তিনি সাধারণ মানুষ হিসেবে ক্যাম্পাসে যেতে পারলেও প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ করলে তা আদালত অবমাননা হিসেবে গণ্য হবে।

আদালত সূত্র জানায়, উভয় পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ রায় দেন। এর আগে, ৬ অক্টোবর ড. মকবুল আহমেদ খান হাইকোর্টে একটি সিভিল রিভিশন আবেদন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের বৈধ চেয়ারম্যান, অথচ তাকে অন্যায়ভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
মামলাটি চলমান অবস্থায় ৯ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগ অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করে ট্রাস্টি বোর্ডকে নির্দেশ দেন যে, ড. মকবুলকে ৬ মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে কোনো বাধা না দিতে।
এর পর ১৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ড. মকবুল আহমেদ খানকে ইইউবি ক্যাম্পাসে প্রবেশে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করার আদেশ দেন।
পরবর্তীতে ২০ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ জানায়, ড. মকবুল আহমেদ খান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম বা বিওটির কোনো সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। আদালত সতর্ক করে দেয়, ভবিষ্যতে এমন হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনজীবীরা জানান, আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
