channel i online
ঢাকাFriday , 7 November 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইস্ক্রিন
  4. আদালত
  5. আনন্দ আলো
  6. আন্তর্জাতিক
  7. কর্পোরেট নিউজ
  8. কৃষি
  9. কৃষি ভিডিও
  10. চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  11. জনপদ
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. নারী
  14. নীলফামারী
  15. পরিবেশ

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি

Link Copied!

গত রবিবার (২৬ অক্টোবর) বাংলা ট্রিবিউন-এ প্রকাশিত “অবশেষে ছেলের দখল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ফিরে পেলেন বাবা” শিরোনামের সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি)। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, উক্ত প্রতিবেদনে আদালতের সাময়িক রায় বিকৃত করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

ইইউবির প্রক্টর মেজর (অব.) আমিনুর রহমান বলেন, “বাংলা ট্রিবিউন নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদে আদালতের আদেশের ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার একটি সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের অপপ্রয়াস বলে আমরা মনে করি।”

তিনি আরও জানান, আদালতের সর্বশেষ আদেশে বলা হয়েছে ড. মকবুল আহমেদ খান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে ঢুকতে পারবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। এছাড়া আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ৪ সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

মেজর (অব.) আমিনুর রহমান বলেন, “তবে বাংলা ট্রিবিউন নিউজ পোর্টালে আদালতের এই আদেশ বিকৃত করে নিউজে বলা হয়েছে ‘সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অন্তর্বর্তীকালীন এক আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে মকবুল আহমেদ খান সাময়িকভাবে পুনর্বহাল হয়েছেন’, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

আপিল বিভাগের আদেশে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে!

১. ড. মকবুল আহমেদ খান সাধারণ মানুষ হিসেবে একাই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবেন, কোনো সহযোগী বা অনুসারী নিয়ে যেতে পারবেন না।

২. তিনি ইইউবি-এর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় কোনো বিশৃঙ্খলা বা ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারবেন না।

মামলা চলমান অবস্থায় বাংলা ট্রিবিউন অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের যে দাবি করা হয়েছে, তা আদালতের প্রকৃত আদেশের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। ট্রাস্টি বোর্ড সংক্রান্ত মূল মামলাটি (সিভিল রিভিশন নং ৬৪০/২০২৫ এবং ৪০৩৫/২০২৫) এখনও হাইকোর্ট বিভাগে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত উচ্চ আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত রায় না দেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান কাঠামোতে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করার এখতিয়ার ড. মকবুল আহমেদ খানের নেই বলে জানিয়েছেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের পক্ষের আইনজীবীরা।

নিন্দা জ্ঞাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, “আমরা লক্ষ্য করছি যে, একটি পক্ষ আদালতের আদেশের আংশিক এবং বিকৃত ব্যাখ্যা দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভুল তথ্য প্রচারের জন্য ইইউবি কর্তৃপক্ষ তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আদালতের প্রকৃত আদেশটি ভালোভাবে অনুধাবন করে দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানাচ্ছে।”

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ইইউবি) কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ বৈধ ও আইনসিদ্ধ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এর সকল শিক্ষা কার্যক্রম সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে অব্যাহত থাকবে।